Sunday , 2 August 2026 | [bangla_date]
  1. Bypass
  2. Cleaners
  3. Concerts
  4. Editors
  5. Emulators
  6. Engines
  7. Extractors
  8. Retail2Volume
  9. Spoofers
  10. UHD
  11. Unlocks
  12. অর্থনীতি
  13. আন্তর্জাতিক
  14. খেলা
  15. জাতীয়

বাংলাদেশের টাকার ইতিহাস: পণ্য বিনিময় থেকে আধুনিক মুদ্রা ব্যবস্থার দীর্ঘ যাত্রা

প্রতিবেদক
Admin
August 2, 2026 5:03 pm

বিশেষ প্রতিবেদন

প্রতিবেদন: গাজী হাফিজুর রহমান, শ্যামনগর প্রতিনিধি

বাংলাদেশের বর্তমান অর্থনীতির অন্যতম ভিত্তি হলো ‘টাকা’। কিন্তু এই টাকার ইতিহাস হাজার বছরের বিবর্তনের সঙ্গে জড়িত। একসময় মানুষ কোনো কাগজের নোট বা ধাতব মুদ্রা ব্যবহার করত না। তখন চাল, ধান, লবণ, গবাদিপশু, কাপড়সহ বিভিন্ন পণ্য বিনিময়ের মাধ্যমে কেনাবেচা হতো। পরে এই পদ্ধতির সীমাবদ্ধতা দেখা দিলে ধাতব মুদ্রার প্রচলন শুরু হয়।

ইতিহাসবিদদের মতে, বাংলা অঞ্চলে বহু শতাব্দী ধরে রৌপ্য মুদ্রাকে ‘টাকা’ নামে ডাকা হতো। ভাষাবিদদের ধারণা, ‘টাকা’ শব্দটি সংস্কৃত ‘টঙ্ক’ শব্দ থেকে এসেছে, যার অর্থ রৌপ্য মুদ্রা। মধ্যযুগে বাংলার সুলতানি আমলেও ‘টাকা’ শব্দটি ব্যাপকভাবে ব্যবহৃত হতো।

১৯৪৭ সালে ভারত বিভাগের পর তৎকালীন পূর্ব পাকিস্তানে পাকিস্তানি রুপি প্রচলিত ছিল। স্বাধীনতা যুদ্ধের সময় মুক্তিকামী বাঙালিরা অনেক ক্ষেত্রে পাকিস্তানি নোটে ‘বাংলাদেশ’ লেখা সিল ব্যবহার করতেন। স্বাধীনতা অর্জনের পর নিজস্ব মুদ্রা চালুর উদ্যোগ নেওয়া হয়।

১৯৭২ সালের ৪ মার্চ স্বাধীন বাংলাদেশের প্রথম নিজস্ব কাগজের নোট আনুষ্ঠানিকভাবে চালু হয়। প্রথম পর্যায়ে ১ টাকা ও ১০০ টাকার নোট বাজারে আসে। পরবর্তীতে ৫, ১০, ২০, ৫০, ১০০, ৫০০ এবং ১০০০ টাকার নোট চালু করা হয়। দেশের কেন্দ্রীয় ব্যাংক বাংলাদেশ ব্যাংক এসব নোট ইস্যু করে এবং সিকিউরিটি প্রিন্টিং কর্পোরেশন (বাংলাদেশ) লিমিটেড নোট মুদ্রণের দায়িত্ব পালন করে।

বর্তমানে কাগজের নোটের পাশাপাশি ১, ২, ৫ ও ১০ টাকার ধাতব মুদ্রাও প্রচলিত রয়েছে। প্রযুক্তির অগ্রগতির ফলে এখন মোবাইল ব্যাংকিং, ইন্টারনেট ব্যাংকিং এবং ডিজিটাল পেমেন্ট ব্যবস্থার ব্যবহারও দ্রুত বাড়ছে।

অর্থনীতিবিদদের মতে, একটি দেশের নিজস্ব মুদ্রা শুধু লেনদেনের মাধ্যম নয়, বরং স্বাধীনতা, সার্বভৌমত্ব ও অর্থনৈতিক শক্তির প্রতীক। স্বাধীনতার পর বাংলাদেশের নিজস্ব ‘টাকা’ চালু হওয়া ছিল দেশের অর্থনৈতিক ইতিহাসের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ অর্জন।

সর্বশেষ - আন্তর্জাতিক

আপনার জন্য নির্বাচিত

নূরনগর আশালতা মাধ্যমিক বিদ্যালয়কে সরকারি করার জোর দাবি

কৈখালী ইউনিয়নের উন্নয়নে জনআস্থার প্রতীক শেখ আব্দুর রহিম

ধারাবাহিকে ফিরছেন সুমাইয়া শিমু

৪ নং নূরনগর ইউনিয়ন: লবণাক্ততার প্রতিকূলতা পেরিয়ে সম্প্রীতি ও সম্ভাবনার এক জনপদ

কক্সবাজারে প্যারাসেইলিং দুর্ঘটনা: নিরাপত্তা ব্যবস্থায় প্রশ্ন, পর্যটন খাতে বাড়ছে উদ্বেগ

জুলাই গণঅভ্যুত্থানের শহীদদের স্মরণে দোয়া ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত আহত জুলাই যোদ্ধাদের সুস্থতা কামনায় বিশেষ দোয়া, বিপুল মানুষের উপস্থিতি নিজস্ব প্রতিবেদক: জুলাই গণঅভ্যুত্থানের বীর শহীদদের স্মরণে এবং আহত যোদ্ধাদের সুস্থতা কামনায় ঢাকার কাফরুল থানা, ঢাকা মহানগর উত্তর গণঅধিকার পরিষদের উদ্যোগে স্মৃতিচারণ, দোয়া ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জনাব মো. নুরুল হক নূর (এমপি)। এ সময় গণঅধিকার পরিষদের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মী, জুলাই আন্দোলনে অংশগ্রহণকারী ব্যক্তিবর্গ, আহত যোদ্ধা, সামাজিক ও রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দসহ বিপুলসংখ্যক সাধারণ মানুষ উপস্থিত ছিলেন। সভায় বক্তারা জুলাই গণঅভ্যুত্থানে আত্মত্যাগকারী বীর শহীদদের গভীর শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করেন। একই সঙ্গে আন্দোলনে আহত যোদ্ধাদের দ্রুত সুস্থতা কামনা করে তাদের যথাযথ চিকিৎসা, পুনর্বাসন ও প্রয়োজনীয় সহযোগিতা নিশ্চিত করার ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়। আলোচনা সভায় বক্তারা বলেন, জুলাইয়ের গণআন্দোলনে যারা জীবন দিয়েছেন, তাদের আত্মত্যাগ জাতি গভীর শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করবে। শহীদদের স্বপ্ন ও আকাঙ্ক্ষার বাংলাদেশ গড়ে তুলতে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করার আহ্বানও জানানো হয়। অনুষ্ঠানে বিভিন্ন পর্যায়ের নেতৃবৃন্দ বক্তব্য রাখেন। পরে জুলাই গণঅভ্যুত্থানের বীর শহীদদের আত্মার মাগফিরাত এবং আহত যোদ্ধাদের দ্রুত সুস্থতা কামনা করে বিশেষ দোয়া ও মোনাজাত অনুষ্ঠিত হয়। অনুষ্ঠানস্থলের ছবিতে দেখা যায়, মঞ্চে অতিথি ও নেতৃবৃন্দের পাশাপাশি সামনে বিপুলসংখ্যক মানুষ উপস্থিত ছিলেন। পুরো আয়োজনকে ঘিরে স্থানীয় নেতাকর্মী ও সাধারণ মানুষের মধ্যে ব্যাপক উৎসাহ-উদ্দীপনা লক্ষ্য করা যায়।

খাঁটি গরুর দুধের চায়ের স্বাদে সুনাম কুড়িয়েছে ‘আবুল কালাম আজাদ এনার টি স্টল’

বিশিষ্ট ব্যবসায়ী ও কৃষিপ্রেমী মোহাম্মদ নাজির হোসেন: সততা, পরিশ্রম ও মানবিকতার এক অনন্য দৃষ্টান্ত

উত্তরখানের চামুরখান: ঐতিহ্য, ইতিহাস ও আধুনিক নগরায়ণের এক উজ্জ্বল জনপদ

শেষ ওভারের রোমাঞ্চে জিম্বাবুয়েকে হারিয়ে সিরিজ জিতল বাংলাদেশ