Tuesday , 21 July 2026 | [bangla_date]
  1. Bypass
  2. Cleaners
  3. Concerts
  4. Editors
  5. Emulators
  6. Engines
  7. Extractors
  8. Retail2Volume
  9. Spoofers
  10. UHD
  11. Unlocks
  12. অর্থনীতি
  13. আন্তর্জাতিক
  14. খেলা
  15. জাতীয়

পরিবারের মুখে হাসি ফোটাতে প্রবাসে জীবনযুদ্ধ: নীরব বীরদের অজানা গল্প

প্রতিবেদক
Admin
July 21, 2026 6:28 pm

বিশেষ প্রতিবেদন
একজন প্রবাসীর হাসিমাখা ছবির পেছনে কতটা কষ্ট, কতটা ত্যাগ আর কতটা নিঃসঙ্গতা লুকিয়ে থাকে, তা খুব Omega replica কম মানুষই জানেন। দেশের অর্থনীতিকে সচল রাখতে, পরিবারের মুখে হাসি ফোটাতে এবং সন্তানদের সুন্দর ভবিষ্যৎ গড়তে লাখো বাংলাদেশি আজ বিশ্বের বিভিন্ন দেশে কঠোর পরিশ্রম করছেন। তাঁদের পাঠানো রেমিট্যান্স শুধু একটি পরিবারের নয়, পুরো দেশের অর্থনীতির অন্যতম প্রধান শক্তি। অথচ এই মানুষগুলোর জীবনের বাস্তবতা অনেকটাই অজানা।
প্রবাসে যাওয়ার সিদ্ধান্ত অধিকাংশ মানুষের জন্য জীবনের সবচেয়ে কঠিন সিদ্ধান্তগুলোর একটি। অনেকেই বিদেশে যাওয়ার জন্য বসতভিটা বন্ধক রাখেন, কৃষিজমি বিক্রি করেন, গরু-ছাগল বিক্রি করেন কিংবা এনজিও ও মহাজনের কাছ থেকে উচ্চ সুদে ঋণ নেন। পরিবারের স্বপ্ন পূরণের আশায় তাঁরা অচেনা এক দেশে replica Rolex watches পাড়ি জমান। কিন্তু সেখানে পৌঁছে অনেকেই জানতে পারেন, যে কাজের প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়েছিল, বাস্তবে তার সঙ্গে কোনো মিল নেই। অনেকের বেতন কমিয়ে দেওয়া হয়, আবার কেউ কেউ মাসের পর মাস বেতন না পেয়ে মানবেতর জীবন কাটান।
মধ্যপ্রাচ্যের ৪৫ থেকে ৫০ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রায় নির্মাণশ্রমিক, পরিচ্ছন্নতাকর্মী কিংবা কারখানার শ্রমিক হিসেবে দিনের পর দিন কাজ করেন অসংখ্য বাংলাদেশি। প্রচণ্ড গরম, ধুলাবালি, দীর্ঘ কর্মঘণ্টা, অস্বাস্থ্যকর আবাসন, অপর্যাপ্ত খাবার এবং বিশ্রামের অভাব তাঁদের জীবনের নিত্যসঙ্গী। অসুস্থ হলেও অনেক সময় চিকিৎসার সুযোগ পান না। ভাষাগত সীমাবদ্ধতা এবং স্থানীয় আইন সম্পর্কে অজ্ঞতার কারণে সমস্যায় পড়লেও সহজে সহায়তা মেলে না।
প্রবাসীদের সবচেয়ে বড় কষ্ট পরিবার থেকে দূরে থাকা। সন্তান প্রথম হাঁটতে শেখে, প্রথম স্কুলে যায়, বাবা-মা অসুস্থ Rolex replica watches হন কিংবা পরিবারের কোনো সদস্য মৃত্যুবরণ করেন—এসব মুহূর্তে অনেকেই পাশে থাকতে পারেন না। ঈদ, কোরবানির ঈদ, পহেলা বৈশাখ কিংবা অন্য উৎসবের আনন্দ তাঁদের কাছে সীমাবদ্ধ থাকে মোবাইল ফোনের ভিডিও কলে। পরিবারের সঙ্গে কথা বলার সময় মুখে হাসি থাকলেও, কল শেষ হওয়ার পর নিঃসঙ্গ ঘরে নেমে আসে গভীর নীরবতা।
বিদেশে কর্মরত অনেক বাংলাদেশির পাসপোর্ট নিয়োগকর্তার কাছে আটকে রাখা হয় বলে অভিযোগ রয়েছে। অনেককে অতিরিক্ত সময় কাজ করানো হলেও ওভারটাইমের পারিশ্রমিক দেওয়া হয় না। কেউ কেউ কর্মস্থলে দুর্ঘটনায় আহত হন, আবার অনেকেই কর্মস্থলেই মৃত্যুবরণ করেন। তাঁদের মরদেহ দেশে ফিরিয়ে আনতেও পরিবারকে দীর্ঘ প্রশাসনিক প্রক্রিয়ার মধ্য দিয়ে যেতে হয়।
দেশে ছুটিতে আসাও প্রবাসীদের জন্য আরেকটি বড় সংগ্রাম। ছুটি পাওয়া কঠিন, বিমান ভাড়া অনেক সময় আকাশছোঁয়া, দীর্ঘ যাত্রা, বিমানবন্দরে হয়রানি, অতিরিক্ত লাগেজ নিয়ে জটিলতা এবং বিভিন্ন আনুষ্ঠানিকতা তাঁদের ভোগান্তি বাড়িয়ে দেয়। মাত্র কয়েকদিন পরিবারের সঙ্গে কাটিয়েই আবার চোখের পানি লুকিয়ে কর্মস্থলের উদ্দেশ্যে রওনা দিতে হয়।
দেশে ফিরে অনেক প্রবাসী নতুন সমস্যার মুখোমুখি হন। আত্মীয়স্বজনের অতিরিক্ত প্রত্যাশা, প্রতারণার শিকার হওয়া, সঞ্চিত অর্থ সঠিকভাবে বিনিয়োগ করতে না পারা, কর্মসংস্থানের অভাব এবং সামাজিক চাপ তাঁদের নতুন করে হতাশ করে। অনেকেই আবার ঋণ শোধ করতেই বছরের পর বছর বিদেশে থাকতে বাধ্য হন।
তারপরও তাঁরা থেমে যান না। পরিবারের জন্য, দেশের জন্য, ভবিষ্যতের জন্য তাঁরা প্রতিদিন ঘাম ঝরান। তাঁদের পাঠানো রেমিট্যান্সে দেশের বৈদেশিক মুদ্রার ভাণ্ডার সমৃদ্ধ হয়, লাখো পরিবারের চুলায় আগুন জ্বলে, সন্তানদের পড়াশোনা চলে, নতুন ঘর তৈরি হয় এবং দেশের উন্নয়নের চাকা সচল থাকে।
প্রবাসীরা কেবল বৈদেশিক মুদ্রা অর্জনকারী নন; তাঁরা বাংলাদেশের অর্থনীতির নীরব বীর। তাঁদের জন্য নিরাপদ শ্রম অভিবাসন, ন্যায্য মজুরি, উন্নত চিকিৎসা, আইনি সহায়তা, দূতাবাসের কার্যকর সেবা, বিমানবন্দরে হয়রানিমুক্ত পরিবেশ এবং দেশে ফিরে পুনর্বাসনের সুযোগ নিশ্চিত করা রাষ্ট্রের অন্যতম দায়িত্ব।
প্রবাসীদের ঘামে লেখা প্রতিটি রেমিট্যান্সের পেছনে লুকিয়ে থাকে একটি পরিবারের স্বপ্ন, একটি সন্তানের ভবিষ্যৎ এবং একজন মানুষের সীমাহীন ত্যাগ। তাই তাঁদের যথাযথ সম্মান, নিরাপত্তা ও অধিকার নিশ্চিত করা আমাদের সবার নৈতিক দায়িত্ব

সর্বশেষ - আন্তর্জাতিক

আপনার জন্য নির্বাচিত

ধারাবাহিকে ফিরছেন সুমাইয়া শিমু

কৈখালী ইউনিয়নের উন্নয়নে জনআস্থার প্রতীক শেখ আব্দুর রহিম

নূরনগর আশালতা মাধ্যমিক বিদ্যালয়কে সরকারি করার জোর দাবি

প্রসিকিউশনের হাতে হাসিনা-আজিজসহ ৪১ জনের বিরুদ্ধে তদন্ত প্রতিবেদন

গ্যাস সংকটে স্থবির জনজীবন: ঘণ্টার পর ঘণ্টা লাইনে দাঁড়িয়ে ভোগান্তিতে চালকরা

জুলাই গণঅভ্যুত্থানের শহীদদের স্মরণে দোয়া ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত আহত জুলাই যোদ্ধাদের সুস্থতা কামনায় বিশেষ দোয়া, বিপুল মানুষের উপস্থিতি নিজস্ব প্রতিবেদক: জুলাই গণঅভ্যুত্থানের বীর শহীদদের স্মরণে এবং আহত যোদ্ধাদের সুস্থতা কামনায় ঢাকার কাফরুল থানা, ঢাকা মহানগর উত্তর গণঅধিকার পরিষদের উদ্যোগে স্মৃতিচারণ, দোয়া ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জনাব মো. নুরুল হক নূর (এমপি)। এ সময় গণঅধিকার পরিষদের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মী, জুলাই আন্দোলনে অংশগ্রহণকারী ব্যক্তিবর্গ, আহত যোদ্ধা, সামাজিক ও রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দসহ বিপুলসংখ্যক সাধারণ মানুষ উপস্থিত ছিলেন। সভায় বক্তারা জুলাই গণঅভ্যুত্থানে আত্মত্যাগকারী বীর শহীদদের গভীর শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করেন। একই সঙ্গে আন্দোলনে আহত যোদ্ধাদের দ্রুত সুস্থতা কামনা করে তাদের যথাযথ চিকিৎসা, পুনর্বাসন ও প্রয়োজনীয় সহযোগিতা নিশ্চিত করার ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়। আলোচনা সভায় বক্তারা বলেন, জুলাইয়ের গণআন্দোলনে যারা জীবন দিয়েছেন, তাদের আত্মত্যাগ জাতি গভীর শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করবে। শহীদদের স্বপ্ন ও আকাঙ্ক্ষার বাংলাদেশ গড়ে তুলতে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করার আহ্বানও জানানো হয়। অনুষ্ঠানে বিভিন্ন পর্যায়ের নেতৃবৃন্দ বক্তব্য রাখেন। পরে জুলাই গণঅভ্যুত্থানের বীর শহীদদের আত্মার মাগফিরাত এবং আহত যোদ্ধাদের দ্রুত সুস্থতা কামনা করে বিশেষ দোয়া ও মোনাজাত অনুষ্ঠিত হয়। অনুষ্ঠানস্থলের ছবিতে দেখা যায়, মঞ্চে অতিথি ও নেতৃবৃন্দের পাশাপাশি সামনে বিপুলসংখ্যক মানুষ উপস্থিত ছিলেন। পুরো আয়োজনকে ঘিরে স্থানীয় নেতাকর্মী ও সাধারণ মানুষের মধ্যে ব্যাপক উৎসাহ-উদ্দীপনা লক্ষ্য করা যায়।

শিশুর হাতে স্মার্টফোন: সুবিধার আড়ালে লুকিয়ে থাকা ভবিষ্যতের

আখাউড়া রেলস্টেশন ও ব্রাহ্মণবাড়িয়ার সড়ক যোগাযোগে ভোগান্তি

লবণাক্ত পানির আগ্রাসনে কৃষি ধ্বংসের পথে, টেকসই ভেড়িবাঁধ ও ইটের সলিং রাস্তার জোর দাবি এলাকাবাসীর

টিসিবির পণ্য কিনতে গিয়ে প্রাণ গেল দুইজনের, দেয়াল ধসে মর্মান্তিক দুর্ঘটনা