Wednesday , 5 August 2026 | [bangla_date]
  1. Bypass
  2. Cleaners
  3. Concerts
  4. Editors
  5. Emulators
  6. Engines
  7. Extractors
  8. Retail2Volume
  9. Spoofers
  10. UHD
  11. Unlocks
  12. অর্থনীতি
  13. আন্তর্জাতিক
  14. খেলা
  15. জাতীয়

সমাজসেবক ও সফল কৃষক মোহাম্মদ নাজির হোসেন: কৃষি, খামার ও মানবসেবায় এক অনুকরণীয় দৃষ্টান্ত

প্রতিবেদক
Admin
August 5, 2026 6:24 am

নিজস্ব প্রতিবেদক | রামু (কক্সবাজার)

কক্সবাজার জেলার রামু উপজেলার আস্কারকিল চা বাগান এলাকার একজন সুপরিচিত সমাজসেবক ও সফল কৃষক মোহাম্মদ নাজির হোসেন। দীর্ঘদিন ধরে তিনি কৃষিকে আধুনিক পদ্ধতিতে এগিয়ে নেওয়ার পাশাপাশি সমাজসেবামূলক কর্মকাণ্ডের মাধ্যমে এলাকার মানুষের আস্থা ও ভালোবাসা অর্জন করেছেন। কৃষিকে শুধু জীবিকার মাধ্যম নয়, বরং দেশের উন্নয়নের অন্যতম চালিকাশক্তি হিসেবে তিনি বিশ্বাস করেন এবং সেই লক্ষ্যেই নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছেন।

নিজের অক্লান্ত পরিশ্রম, সততা ও দূরদর্শিতার মাধ্যমে তিনি ধান চাষ, মৌসুমি শাক-সবজি উৎপাদন, মাছ চাষ, গরু পালন, ছাগল পালন এবং কবুতর পালনসহ বিভিন্ন কৃষিভিত্তিক উদ্যোগ গড়ে তুলেছেন। তাঁর কৃষি খামার শুধু একটি উৎপাদন কেন্দ্র নয়, এটি এখন এলাকার অনেক মানুষের জন্য অনুপ্রেরণার উৎস।

ধানের পাশাপাশি তিনি বিভিন্ন ধরনের সবজি উৎপাদন করে স্থানীয় বাজারে সরবরাহ করছেন। তাঁর মাছের খামারে দেশীয় বিভিন্ন প্রজাতির মাছ চাষ করা হয়, যা এলাকার পুষ্টি চাহিদা পূরণেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে। এছাড়া গরু ও ছাগলের খামার এবং কবুতর পালন প্রকল্প তাঁর কৃষি উদ্যোগকে আরও সমৃদ্ধ করেছে।

কৃষির আধুনিক প্রযুক্তি ব্যবহারের ক্ষেত্রেও তিনি সচেতন। জমি চাষ, সেচ ব্যবস্থা ও উৎপাদন বৃদ্ধিতে আধুনিক কৃষিযন্ত্রের ব্যবহার করে তিনি অন্যান্য কৃষকদেরও প্রযুক্তিনির্ভর কৃষিতে উৎসাহিত করছেন। তাঁর মতে, আধুনিক কৃষি প্রযুক্তি গ্রহণ করলে উৎপাদন যেমন বাড়বে, তেমনি কৃষকের শ্রম ও ব্যয়ও কমবে।

শুধু কৃষিতেই নয়, সমাজকল্যাণমূলক কর্মকাণ্ডেও মোহাম্মদ নাজির হোসেনের অবদান প্রশংসনীয়। অসহায় ও দরিদ্র মানুষের পাশে দাঁড়ানো, শিক্ষা সহায়তা প্রদান, প্রাকৃতিক দুর্যোগে ক্ষতিগ্রস্তদের সহযোগিতা, বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি বাস্তবায়ন, পরিবেশ সংরক্ষণ এবং তরুণ সমাজকে মাদকমুক্ত রাখতে সচেতনতামূলক কার্যক্রম পরিচালনায় তিনি নিয়মিত অংশগ্রহণ করেন।

স্থানীয়দের মতে, মোহাম্মদ নাজির হোসেন একজন সৎ, পরিশ্রমী ও মানবিক মানুষ। তাঁর কৃষি ও সমাজসেবামূলক কর্মকাণ্ড নতুন প্রজন্মকে কৃষির প্রতি আগ্রহী করে তুলছে এবং আত্মনির্ভরশীল হওয়ার অনুপ্রেরণা জোগাচ্ছে।

মোহাম্মদ নাজির হোসেন বলেন, “কৃষি ও সমাজসেবা আমার জীবনের অঙ্গীকার। মানুষের কল্যাণে কাজ করাই আমার সবচেয়ে বড় আনন্দ। কৃষক বাঁচলে দেশ বাঁচবে, তাই কৃষিকে ভালোবাসতে হবে।”

কৃষির বহুমুখীকরণ, আধুনিক প্রযুক্তির ব্যবহার এবং মানবকল্যাণে নিবেদিত সেবার মাধ্যমে মোহাম্মদ নাজির হোসেন আজ রামু উপজেলার একজন অনুকরণীয় কৃষক ও সমাজসেবকে পরিণত হয়েছেন। তাঁর এই সফলতা ও কর্মপ্রচেষ্টা দেশের অন্যান্য কৃষক ও তরুণ উদ্যোক্তাদের জন্য একটি উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত।

প্রতিবেদক: নিজস্ব প্রতিবেদক

দৈনিক আমার স্বাধীনতা

সর্বশেষ - আন্তর্জাতিক

আপনার জন্য নির্বাচিত

🚆 টঙ্গী–আব্দুল্লাহপুর রেলসেতুতে নতুন চার লেনের অবকাঠামো, বদলে যাচ্ছে তুরাগপারের যোগাযোগচিত্র

লবণাক্ততার বিষাক্ত ছোবলে হারিয়ে যাচ্ছে রাজাপুর: কৃষি নেই, শিক্ষা নেই, বিশুদ্ধ পানির তীব্র সংকটে জনজীবন

স্থায়ীকরণের দাবিতে এলএসপি কর্মীদের অবস্থান কর্মসূচি

বিশিষ্ট ব্যবসায়ী ও কৃষিপ্রেমী মোহাম্মদ নাজির হোসেন: সততা, পরিশ্রম ও মানবিকতার এক অনন্য দৃষ্টান্ত

খাঁটি গরুর দুধের চায়ের স্বাদে সুনাম কুড়িয়েছে ‘আবুল কালাম আজাদ এনার টি স্টল’

সাতক্ষীরার পরিবেশ রক্ষায় ১০ লাখ বীজ ও চারা রোপণ কর্মসূচি: সবুজ উপকূল গড়ার নতুন প্রত্যয়

জুলাই গণঅভ্যুত্থানের শহীদদের স্মরণে দোয়া ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত আহত জুলাই যোদ্ধাদের সুস্থতা কামনায় বিশেষ দোয়া, বিপুল মানুষের উপস্থিতি নিজস্ব প্রতিবেদক: জুলাই গণঅভ্যুত্থানের বীর শহীদদের স্মরণে এবং আহত যোদ্ধাদের সুস্থতা কামনায় ঢাকার কাফরুল থানা, ঢাকা মহানগর উত্তর গণঅধিকার পরিষদের উদ্যোগে স্মৃতিচারণ, দোয়া ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জনাব মো. নুরুল হক নূর (এমপি)। এ সময় গণঅধিকার পরিষদের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মী, জুলাই আন্দোলনে অংশগ্রহণকারী ব্যক্তিবর্গ, আহত যোদ্ধা, সামাজিক ও রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দসহ বিপুলসংখ্যক সাধারণ মানুষ উপস্থিত ছিলেন। সভায় বক্তারা জুলাই গণঅভ্যুত্থানে আত্মত্যাগকারী বীর শহীদদের গভীর শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করেন। একই সঙ্গে আন্দোলনে আহত যোদ্ধাদের দ্রুত সুস্থতা কামনা করে তাদের যথাযথ চিকিৎসা, পুনর্বাসন ও প্রয়োজনীয় সহযোগিতা নিশ্চিত করার ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়। আলোচনা সভায় বক্তারা বলেন, জুলাইয়ের গণআন্দোলনে যারা জীবন দিয়েছেন, তাদের আত্মত্যাগ জাতি গভীর শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করবে। শহীদদের স্বপ্ন ও আকাঙ্ক্ষার বাংলাদেশ গড়ে তুলতে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করার আহ্বানও জানানো হয়। অনুষ্ঠানে বিভিন্ন পর্যায়ের নেতৃবৃন্দ বক্তব্য রাখেন। পরে জুলাই গণঅভ্যুত্থানের বীর শহীদদের আত্মার মাগফিরাত এবং আহত যোদ্ধাদের দ্রুত সুস্থতা কামনা করে বিশেষ দোয়া ও মোনাজাত অনুষ্ঠিত হয়। অনুষ্ঠানস্থলের ছবিতে দেখা যায়, মঞ্চে অতিথি ও নেতৃবৃন্দের পাশাপাশি সামনে বিপুলসংখ্যক মানুষ উপস্থিত ছিলেন। পুরো আয়োজনকে ঘিরে স্থানীয় নেতাকর্মী ও সাধারণ মানুষের মধ্যে ব্যাপক উৎসাহ-উদ্দীপনা লক্ষ্য করা যায়।

শিশুর হাতে স্মার্টফোন: সুবিধার আড়ালে লুকিয়ে থাকা ভবিষ্যতের

আখাউড়া রেলস্টেশন ও ব্রাহ্মণবাড়িয়ার সড়ক যোগাযোগে ভোগান্তি

ধারাবাহিকে ফিরছেন সুমাইয়া শিমু