নিজস্ব প্রতিবেদন
জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাবে বাংলাদেশের সবচেয়ে ঝুঁকিপূর্ণ উপকূলীয় জেলা সাতক্ষীরাকে সবুজে ফিরিয়ে আনতে ব্যাপক বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি শুরু হয়েছে। পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষা, উপকূলীয় জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণ, মাটির লবণাক্ততা ও জলবায়ুর বিরূপ প্রভাব মোকাবিলায় সাতক্ষীরার শ্যামনগর উপজেলায় ১০ লাখ বীজ ও বিভিন্ন প্রজাতির গাছের চারা রোপণের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এ কর্মসূচির আওতায় সুন্দরবন সংলগ্ন এলাকায় দেশীয় ফলজ, বনজ ও ঔষধি গাছের বীজ এবং চারা রোপণ করা হবে।
সংশ্লিষ্টরা জানান, এই উদ্যোগের মাধ্যমে উপকূলীয় এলাকার পরিবেশ পুনরুদ্ধার, জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণ, বনায়ন বৃদ্ধি এবং জলবায়ু পরিবর্তনের বিরূপ প্রভাব মোকাবিলায় দীর্ঘমেয়াদি ইতিবাচক ফল পাওয়া যাবে। একই সঙ্গে স্থানীয় মানুষকে বৃক্ষরোপণে উদ্বুদ্ধ করতে সচেতনতামূলক কার্যক্রমও পরিচালিত হচ্ছে।
পরিবেশবিদদের মতে, সাতক্ষীরা দীর্ঘদিন ধরে ঘূর্ণিঝড়, জলোচ্ছ্বাস, নদীভাঙন ও লবণাক্ততার কারণে ব্যাপক পরিবেশগত ক্ষতির মুখোমুখি। তাই উপকূলজুড়ে পরিকল্পিত বৃক্ষরোপণ শুধু পরিবেশ রক্ষাই নয়, ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য একটি নিরাপদ ও টেকসই বাসযোগ্য অঞ্চল গড়ে তুলতেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। সুন্দরবন রক্ষায়ও এ ধরনের উদ্যোগ বিশেষ সহায়ক হবে।
স্থানীয় বাসিন্দারা আশা প্রকাশ করেছেন, সরকারের পাশাপাশি সামাজিক সংগঠন, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ও সাধারণ মানুষ সম্মিলিতভাবে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচিতে অংশ নিলে সাতক্ষীরার পরিবেশ আরও সমৃদ্ধ হবে এবং জলবায়ু পরিবর্তনের ঝুঁকি মোকাবিলায় জেলার সক্ষমতা বৃদ্ধি পাবে।
প্রতিনিধি: গাজী হাফিজুর রহমান
শ্যামনগর প্রতিনিধি
















