নিজস্ব প্রতিবেদন
দেশজুড়ে তীব্র গ্যাস সংকটের কারণে চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন সিএনজি চালিত যানবাহনের চালক ও সাধারণ মানুষ। রাজধানীসহ দেশের বিভিন্ন অঞ্চলের সিএনজি ফিলিং স্টেশনগুলোতে গ্যাসের চাপ কম থাকায় দীর্ঘ লাইনে অপেক্ষা করেও অনেক চালক গ্যাস নিতে পারছেন না। কোথাও কোথাও গ্যাস শেষ হয়ে যাওয়ায় স্টেশন সাময়িকভাবে বিক্রিও বন্ধ রাখতে বাধ্য হচ্ছে। সাম্প্রতিক তথ্য অনুযায়ী, একটি ভাসমান এলএনজি (LNG) টার্মিনালে প্রযুক্তিগত ত্রুটির কারণে জাতীয় গ্রিডে গ্যাস সরবরাহ উল্লেখযোগ্যভাবে কমে যাওয়ায় এই সংকট আরও তীব্র হয়েছে।
গ্যাস সংকটের সরাসরি প্রভাব পড়েছে পরিবহন খাতে। সিএনজি চালিত অটোরিকশা, প্রাইভেটকার, মাইক্রোবাস ও অন্যান্য যানবাহনের চালকদের ঘণ্টার পর ঘণ্টা লাইনে দাঁড়িয়ে থাকতে হচ্ছে। ফলে যাত্রীসেবা ব্যাহত হচ্ছে, কর্মঘণ্টা নষ্ট হচ্ছে এবং চালকদের দৈনিক আয়ও কমে যাচ্ছে। অনেক যাত্রী সময়মতো গন্তব্যে পৌঁছাতে না পেরে চরম দুর্ভোগে পড়ছেন।
শুধু পরিবহন নয়, গ্যাসের নিম্নচাপের কারণে শিল্পকারখানা ও আবাসিক এলাকাতেও রান্না ও উৎপাদন কার্যক্রমে বিঘ্ন ঘটছে। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, প্রযুক্তিগত ত্রুটি দ্রুত মেরামতের কাজ চলছে এবং স্বাভাবিক গ্যাস সরবরাহ পুনরুদ্ধারের চেষ্টা অব্যাহত রয়েছে।
ভুক্তভোগীরা দ্রুত গ্যাস সরবরাহ স্বাভাবিক করার পাশাপাশি দীর্ঘমেয়াদি জ্বালানি নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণের আহ্বান জানিয়েছেন। তাদের মতে, নিয়মিত ও নিরবচ্ছিন্ন গ্যাস সরবরাহ নিশ্চিত না হলে দেশের পরিবহন, শিল্প এবং সাধারণ মানুষের দৈনন্দিন জীবন আরও বেশি সংকটের মুখে পড়বে।















