জনসেবায় আন্তরিকতা, উন্নয়ন ও মানুষের পাশে থাকার প্রত্যাশায় এলাকাবাসী
বিশেষ প্রতিনিধি: আবু সাদিক
সাতক্ষীরা জেলার শ্যামনগর উপজেলার কৈখালী ইউনিয়ন উপকূলীয় অঞ্চলের একটি গুরুত্বপূর্ণ জনপদ। প্রাকৃতিক দুর্যোগ, জলোচ্ছ্বাস, নদীভাঙন ও লবণাক্ততার মতো নানা চ্যালেঞ্জের মধ্যেও ইউনিয়নের উন্নয়ন ও জনকল্যাণে স্থানীয় পর্যায়ে বিভিন্ন উদ্যোগ নিয়ে আলোচনা রয়েছে। স্থানীয়দের একাংশের মতে, ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান শেখ আব্দুর রহিম মানুষের কল্যাণে আন্তরিকভাবে কাজ করে যাচ্ছেন।
স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, ইউনিয়নের সড়ক উন্নয়ন, খাল ও পানি নিষ্কাশন ব্যবস্থা সচল রাখা, জলাবদ্ধতা নিরসন, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান এবং সামাজিক কর্মকাণ্ডে সহযোগিতার মাধ্যমে সাধারণ মানুষের আস্থা অর্জনের চেষ্টা করেছেন তিনি। এলাকার বিভিন্ন সমস্যা নিয়ে জনগণের সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগ রাখা এবং দ্রুত সমাধানের উদ্যোগ নেওয়াও তাঁর ইতিবাচক দিক হিসেবে উল্লেখ করেন অনেকে।
বিশেষ করে দীর্ঘদিনের লবণাক্ত পানি ও জলাবদ্ধতার কারণে ক্ষতিগ্রস্ত কৃষিজমি পুনরুদ্ধারের বিষয়ে এলাকাবাসী আশাবাদী। তাদের ভাষ্য, বিভিন্ন স্থানে পানি নিষ্কাশন ব্যবস্থা উন্নত হওয়ায় কৃষি কার্যক্রমে ইতিবাচক পরিবর্তনের সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে। এতে কৃষক, মৎস্যজীবী ও সাধারণ মানুষের জীবনযাত্রায় স্বস্তি ফিরতে শুরু করেছে বলে অনেকেই মনে করেন।
স্থানীয় সমাজের প্রবীণ ব্যক্তিরা বলেন, একজন জনপ্রতিনিধির সবচেয়ে বড় পরিচয় হলো মানুষের পাশে থাকা। শেখ আব্দুর রহিম সুখে-দুঃখে মানুষের খোঁজখবর নেওয়া, সামাজিক ও মানবিক কর্মকাণ্ডে অংশগ্রহণ এবং জনগণের মতামতকে গুরুত্ব দেওয়ার চেষ্টা করেন বলে তারা জানান।
কৈখালী ইউনিয়নের তরুণদের একাংশের মতে, কর্মসংস্থান, শিক্ষা, খেলাধুলা ও সামাজিক উন্নয়নে আরও কার্যকর উদ্যোগ নেওয়া গেলে ইউনিয়নটি একটি আধুনিক ও সম্ভাবনাময় জনপদ হিসেবে গড়ে উঠবে। তারা আশা করেন, ভবিষ্যতেও উন্নয়নের ধারাবাহিকতা বজায় রাখতে জনপ্রতিনিধি ও সাধারণ মানুষ একসঙ্গে কাজ করবেন।
আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনকে সামনে রেখে স্থানীয়দের একাংশের প্রত্যাশা, যোগ্যতা, সততা, জবাবদিহিতা এবং জনসেবার মানসিকতা নিয়ে যে নেতৃত্ব কাজ করবে, জনগণ তাকেই সমর্থন করবে। তাদের মতে, উন্নয়নের ধারাবাহিকতা, স্বচ্ছতা ও মানুষের কল্যাণে কাজ করার অঙ্গীকারই একজন জনপ্রতিনিধির প্রকৃত মূল্যায়নের ভিত্তি হওয়া উচিত।
কৈখালী ইউনিয়নকে একটি নিরাপদ, আধুনিক, পরিবেশবান্ধব ও সমৃদ্ধ জনপদ হিসেবে গড়ে তুলতে স্থানীয় প্রশাসন, জনপ্রতিনিধি এবং সাধারণ মানুষের সম্মিলিত প্রচেষ্টার বিকল্প নেই। উন্নয়নের এই ধারা অব্যাহত থাকুক—এমন প্রত্যাশাই ব্যক্ত করেছেন এলাকাবাসীর একাংশ।

















